শিক্ষার্থীদের সফলতার গল্প

যে সকল শিক্ষার্থীরা সাইক ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজি থাকে পাশ করার পর, নিজেদেরকে জীবনের একটি সঠিক গন্তব্যে নিয়ে যেতে পারেছে, তাদের সফলতার গল্পগুলো নিন্মে উল্লেখ করা হলোঃ

 

ডাঃ জাকিয়া সুলতানা


“তখন ২০০৯ সাল প্রথম সাইকে পদার্পন, এমবিবিএস পড়ার খুব ইচ্ছা থেকেই ফাইনালি এমবিবিএস সমমানের ডি.ইউ. অন্তর্ভুক্ত ব্যাচেলর অব ফিজিওথেরাপিতে পড়তে আসি। সাইকের শ্রদ্ধেয় শিক্ষকগণের পরম যত্ন ও আন্তরিকতায় ১ম বর্ষের ঢা.বি. পরীক্ষায় ১ম স্থান অধিকার করি এবং ধারাবাহিকতা ধরে রাখি। পড়া-শুনা শেষে অনেক প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে প্রথম বিএসএমএমইউ-তে ফিজিওথেরাপিস্ট হিসেবে চাকুরি পাই। ” 

পিটি (বিপিটি ডি.ইউ.)
ফিজিওথেরাপিস্ট,
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়  

ডাঃ ভবোতোষ চন্দ্র পাল


“এইচ.এস. সি ফলাফল প্রকাশের পর মেডিকেল পড়ার ইচ্ছা ছিলো। মানুষের সেবা অনেক ভাবেই করা যায়, তবে সবচেয়ে বেশী কাছে থেকে সেবা করা যায় ফিজিওথেরাপিস্ট হিসেবে। ভাল লাগা থেকেই সাইকে ফিজিওথেরাপিতে ভর্তি হই। তারপর ২০১৬ সালে ইন্টার্নশীপ অবস্থায় চাকুরী পেয়ে গেলাম ইস্টার্ন মেডিকেল কলেজ হসপিটালে। তার ১ বৎসর পর কুমিল্লা শহরে নিজের প্রতিষ্ঠান শুরু করি । সবার ভালোবাসায় ও আশীর্বাদে এখন প্রতিষ্ঠানটি ব্র্যান্ড হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। ধন্যবাদ, সাইক। ”

বিপিটি (ডি.ইউ)
পিজিডি(বিকেএসপি)
                                    ইনচার্জ ফিজিওথেরাপিস্ট, ইস্টার্ন মেডিকেল কলেজ হসপিটাল।

মলয় চাকমা


‘’২০১১ সনে বিজ্ঞান বিভাগ হতে এস.এস. সি পাস করার পরে অল্প সময়ে ভালো কিছু করার সিদ্ধান্ত নিই । আমি আমার কিছু বড় ভাই বোনদের মাধ্যেমে সাইক ম্যাটসের কথা জানতে পারি তাদের কাছ থেকে ঠিকানা নিয়ে আমি এখানে ভর্তি হই। আমাদের ল্যাবগুলো ছিলো অত্যাধুনিক সব যন্ত্রপাতি দিয়ে পরিপূর্ন। সাইক ম্যাটসে পড়ার সময় এখানকার প্র্যাকটিক্যাল ক্লাসগুলো আমার বাস্তব কর্মজীবনে অনেক কাজে এসেছে। ‘’  

সেশন: ২০১০-১১
সাব এ্যাসিস্ট্যন্ট কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, বাঘাইছড়ি, রাঙ্গামাটি।

আল-আমিন ইসলাম


‘’২০০৮ সালে এস.এস. সি পাশের পর আমি হতাশার মধ্যে পড়ে যাই কি করব? কোথায় পড়ব? তখন অনলাইনে আমি Best Private MATS in Bangladesh লিখে সার্চ দিই। www.saicmedical.edu.bd এই ওয়েভসাইটে সাইকের সকল সুযোগ সুবিধা, ল্যাব ফ্যাসিলিটি, মানসম্মত শিক্ষক-শিক্ষিকা, লাইব্রেরী, পড়ার মান বিবেচনা করে এখানে ভর্তি হই। এখন আমার মনে হয় এখানে ভর্তি হবার সিদ্ধান্তই ছিল আমার নেওয়া এখনো পর্যন্ত সঠিক সিদ্ধান্ত।  ‘’

সেশন: ২০০৭-০৮
সাব এ্যাসিস্ট্যন্ট কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার

ভূপতি রায়


“আমি এসআইএমটি থেকে ২০১০ সালে ডিপ্লোমা ইন ল্যাবরেটরি কোর্স সম্পন্ন করি।  একই প্রতিষ্ঠান থেকে ২০১০-১১ সেশনে বিএসসি ইন ল্যাব মেডিসিনে ভর্তি হয়ে মেধাস্থান সহ এই কোর্সটি সফলতার সাথে সম্পন্ন করি।  এখানকার বিষয় ভিত্তিক আধুনিক যন্ত্রপাতি সম্পন্ন ল্যাবরেটরি, অভিজ্ঞ শিক্ষক মন্ডলী এবং দক্ষ প্রশাসনিক ব্যবস্থা আমাকে হাতে-কলমে কাজ শিখতে সহায়তা করেছে। ”

ইনচার্জ
ডিপার্টমেন্ট অব মাইক্রবায়োলজি
আর্মি মেডিকেল কলেজ, কুমিল্লা

অনিময় চন্দ্র


“আমি অধ্যয়নের সময় পরপর তিনবার বৃত্তি পেয়েছিলাম যা আমার পারিবারিক ও আর্থিক অসামঞ্জ্যসতা কাটিয়ে উঠে পড়াশোনাতে মনোযোগি হতে সহায়তা করেছিল।  ”

সেশন: ২০১২-১৩
মেডিকেল টেকনোলজিস্ট
আনোয়ার খান মর্ডাণ ডায়াগোনস্টিক হাসপাতাল, ঢাকা।

 

 

আব্দুল মান্নান


“আমার বর্তমান অবস্থানের জন্য আমি সাইকের প্রতি কৃতজ্ঞ।  সাইকের শিক্ষকগনের নির্দেশনা আমাদের চলার পথে বিভিন্ন ভাবে সহযোগিতা করেছে। ”

সেশন: ২০১১-১২
রেডিওলজিস্ট
অ্যাপোলো হাসপাতাল

এমএ তারিকুল ইসলাম


“সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে শিক্ষালব্ধ জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে একজন উদ্যেক্তা হয়ে উঠার পিছনে সাইক আমাকে বিভিন্ন ভাবে সহযোগিতা করেছে।”

সেশন: ২০১০-১১
প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক
ফিজিওহেল্থ কেয়ার ফিজিওথেরাপি সেন্টার।

মোঃ রেজওয়ান গনি


“সাইকের হাত ধরে ফিজিওথেরাপি সম্পর্কে জানা এবং পেশাগত জীবনে ফিজিওথেরাপিস্ট হিসেবে কর্মজীবন শুরু করতে পেরে আমি আন্তরিক ভাবে সাইকের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।”

সেশন: ২০১০-১১ (৩য় ব্যাচ)
প্রভাষক, ফিজিওথেরাপি বিভাগ
সাইক ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজি এবং ফিজিওথেরাপিস্ট ল্যাবএইড ডায়গনস্টিক, মিরপুর-১১।

 

TOP