৪ বছর মেয়াদী ডিপ্লোমা ইন ফিজিওথেরাপি

 

ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা বিজ্ঞানের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এই বিষয়টিতে যারা ডিপ্লোমা ডিগ্রি গ্রহণ করবে তারা বিভিন্ন রোগের চিকিৎসা সহ জনগণের পূনর্বাসনে বিশেষ ভূমিকা করতে সক্ষম হবে। ফিজিওথেরাপিস্টরা যে সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে কাজ করে থাকে তার মধ্যে মাসকুলোস্কেলিটাল, কার্ডিওপ্লামোনারি, নিওরোলজি, অর্থোপেডিক্স সহ অন্যান্য শাখা যেমন- চর্ম ও গাইনি শাখায় কাজ করে থাকে।

ডিপ্লোমা ইন ফিজিওথেরাপি

বর্তমানে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে বিএসসি ইন ফিজিওথেরাপি ০৫ (পাঁচ) বছর মেয়াদী ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় অধীনে ০৪(চার) বছর মেয়াদী কোর্সটি পরিচালিত হচ্ছে। বাংলাদেশ সহ উন্নত বিশ্বে ফিজিওথেরাপিস্টদের চাহিদা রয়েছে।

দেশের প্রতিটি হাসপাতাল এবং ব্যক্তিগত ভাবে একজন ফিজিওথেরাপিস্ট প্রায় একজন ডাক্তারের সমতুল্য উপার্জন করতে সক্ষম। এছাড়া বিদেশে ও দেশে ফিজিওথেরাপিস্টদের চাহিদা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। যার ফলে বিদেশে কাজ করার ক্ষেত্র তৈরি হচ্ছে এবং আমাদের দেশ থেকে প্রতি বছর কানাডা, আমেরিকা, ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়াসহ বিভিন্ন দেশে ফিজিওথেরাপিস্ট যাচ্ছেন।

ভর্তির যোগ্যতাঃ

১. রাষ্ট্রীয় চিকিৎসা অনুষদের অধীনে ফিজিওথেরাপি কোর্সের ক্ষেত্রে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জীববিজ্ঞানসহ এসএসসি/সমমান পরীক্ষায় নূন্যতম জিপিএ ২.৫।

ফিজিওথেরাপি পড়তে যে সমস্ত ল্যাব প্রয়োজনঃ

1. Anatomy Lab
2. Physiology Lab
3. Community Medicine Lab
4. Microbiology Lab
5. Computer Lab
6. Physiotherapy Lab
7. Physics Lab
8. Chemistry Lab

রোগ নিরাময়ে ফিজিওথেরাপিস্ট বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ব্যবহার করেন তা হলোঃ

1. Ultrasound Therapy
2. Short Wave Diathermy
3. InterFerential Therapy (I.F.T)
4. Wax Therapy
5. Muscles Stimulation
6. Infrared Radiation (I.R.R.)
7. Micro-wave Diathermy
8. Hydrotherapy
9. Auto Traction or Manual Traction
10. TENS 

চাকরিরক্ষেত্রঃ
১। বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।
২। জেলা হাসপাতাল ও থানা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স।
৩। এনজিও, বিভিন্ন প্রাইভেট ক্লিনিকে।
৪। স্পোর্টস ক্লাব ও পুর্নবাসন কেন্দ্রে।

ফিজিওথেরাপিস্টগণ যে সমস্ত রোগের Consult করে থাকেনঃ

১. কোমর ব্যথা

২. ঘাড় ব্যথা

৩. বাত ব্যথা

৪. হাটুতে ব্যথা

৫. গোড়ালির ব্যথা

৬. হাড় ক্ষয়জনিত ব্যথা

৭. আঘাতজনিত সমস্যা

৮. জয়েন্ট শক্ত হয়ে যাওয়া

৯. স্ট্রোক

১০. প্যারালাইসিস

১১. স্পোর্টস ইনজুরি

১২. স্থুলতা নিয়ন্ত্রণ সহ অন্যান্য শারীরিক সমস্যা

১৩. মুখ বেঁকে যাওয়া রোগ (বেলস পালসি)

১৪. পাঁ বেকে যাওয়া (ক্লাব ফিট)

১৫. সেরিব্রাল পালসি (প্রতিবন্ধী শিশু)

১৬. বার্ধক্য জনিত সমস্যা

১৭. মাংসপেশি দুর্বলতা

১৮. অপারেশন পরবর্তী জটিলতা

১৯. গাইনোকোলজিক্যাল সমস্যা

২০. কথা বলতে না পারা বা অস্পষ্ট কথা

২১. নার্ভজনিত সমস্যা

২২. অন্যান্য প্রতিবন্ধিতা

উচ্চ শিক্ষার সুযোগঃ-
১। ঢাকা ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে সরকারি IHT, 
২। National Institute of Tromatology and Orthopedic Rehabiliation, 
৩। Center for the Rehabilitation of the Paralyzed-G B.Sc in Health Technology( Pathology) উচ্চশিক্ষার সুযোগ আছে। এছাড়াও বেসরকারি ভাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে সাইক কলেজ অব মেডিকেল সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজিতে B.Sc in Health Technology( Pathology) উচ্চশিক্ষার সুযোগ আছে ।

TOP