৪ বছর মেয়াদী ডিপ্লোমা ইন রেডিওলজি এন্ড ইমেজিং

 

রেডিওলজি হচ্ছে ইমেজিং এর মাধ্যমে এক বিশেষ ধরনের রোগ শনাক্ত করার পদ্ধতি। যেমনঃ সিটি স্ক্যান, এক্স-রে, এম আর আই ও আল্ট্রাসাউন্ড সাহায্যকারী হিসাবে সাহায্য করে, যা ডাক্তারকে রোগ নির্ণয় করে সফলভাবে চিকিৎসা প্রদান করতে সাহায্য করে। রেডিওলজি ব্যতিত বর্তমান যুগে বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে রোগ নির্ণয় করা একেবারেই অসম্ভব। রেডিওটেকনোলজিস্টরা তাই চিকিৎসা বিজ্ঞানে বিশেষ গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করে আসছে। রোগ নির্ণয়ের আধুুনিক পদ্ধতি গুলো যেমন-সিটি স্ক্যান, এক্স-রে, এমআরআই, আল্ট্রাসাউন্ড, রেডিওগ্রাফি, মেমোগ্রাফি ইত্যাদি ব্যবহার করে রোগীর দেহের ভিতরে ও বাহিরের প্রয়োজনীয় অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের ইমেজিং এর সাহায্যে রোগ নির্ণয় দ্রুত সম্পন্ন করতে পারছে। যার ফলে ডাক্তাররা সঠিক চিকিৎসা দিতে পারছে এবং অসুস্থ জনগণ দ্রুত সুস্থতা লাভ করছে।

চাকরির ক্ষেত্র সমূহঃ-
সরকারি, বেসরকারি হাসপাতাল,

ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে রেডিওলজি টেকনোলজিস্ট হিসাবে চাকরি করতে পারবে।
নিওক্লেয়ার মেডিসিন টেকনোলজিস্ট হিসেবে কাজ করতে পারবে।
ক্যান্সার হাসপাতালগুলোতে রেডিওথেরাপি টেকনোলজিস্ট হিসেবে কাজ করতে পারবে।

৪ বছর মেয়াদী মেডিকেল ডিপ্লোমা কোর্সের ভর্তি যোগ্যতা:
রাষ্ট্রীয় চিকিৎসা অনুষদের অধীনে মেডিকেল কোর্সের ক্ষেত্রে , বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জীববিজ্ঞানসহ এস.এসসি/সমমান পরীক্ষায় নূন্যতম জিপিএ ২.৫, কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের অধীনে মেডিকেল কোর্সের ক্ষেত্রে, যে কোন গ্রুপ থেকে জিপিএ ২.৫।

ডিপ্লোমা ইন রেডিওলজি

রোগ নির্ণয়ের আধুুনিক পদ্ধতি গুলো যেমন-সিটি স্ক্যান, এক্স-রে, এমআরআই, আল্ট্রাসাউন্ড, রেডিওগ্রাফি, মেমোগ্রাফি ইত্যাদি ব্যবহার করে রোগীর দেহের ভিতরে ও বাহিরের প্রয়োজনীয় অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের ইমেজিং এর সাহায্যে রোগ নির্ণয় দ্রুত সম্পন্ন করতে পারছে। যার ফলে ডাক্তাররা সঠিক চিকিৎসা দিতে পারছে এবং অসুস্থ জনগণ দ্রুত সুস্থতা লাভ করছে।

চাকরির ক্ষেত্র সমূহঃ-
সরকারি, বেসরকারি হাসপাতাল,

ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে রেডিওলজি টেকনোলজিস্ট হিসাবে চাকরি করতে পারবে।
নিওক্লেয়ার মেডিসিন টেকনোলজিস্ট হিসেবে কাজ করতে পারবে।
ক্যান্সার হাসপাতালগুলোতে রেডিওথেরাপি টেকনোলজিস্ট হিসেবে কাজ করতে পারবে।

৪ বছর মেয়াদী মেডিকেল ডিপ্লোমা কোর্সের ভর্তি যোগ্যতা:
রাষ্ট্রীয় চিকিৎসা অনুষদের অধীনে মেডিকেল কোর্সের ক্ষেত্রে , বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জীববিজ্ঞানসহ এস.এসসি/সমমান পরীক্ষায় নূন্যতম জিপিএ ২.৫, কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের অধীনে মেডিকেল কোর্সের ক্ষেত্রে, যে কোন গ্রুপ থেকে জিপিএ ২.৫।

TOP